ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন পে-স্কেল নিয়ে যা বললেন অর্থ উপদেষ্টা গুমের সঙ্গে জড়িত কেউ আইনের ফাঁক দিয়ে বের হতে পারবে না: আইনমন্ত্রী পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন অভিযান পুরোপুরি ব্যর্থ: ইরান স্পিকারের সহধর্মিণীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়ে সংবিধানের সমালোচনাকারীরা স্ব-বিরোধিতায় ভুগছেন সংসদে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে আবেগঘন পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী বাধ্যতামূলক অবসর-চাকরিচ্যুতির বিধান রেখে সরকারি চাকরি সংশোধন বিল পাস ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন নোবেল ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩২ হাজার কর্মী বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে: আরিফুল হক চৌধুরী

তীব্র খাদ্যসংকটে ক্ষুধার্ত সাড়ে ৭৩ কোটি মানুষ : জাতিসংঘ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩
  • ১৯৯ বার

বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ২০২২ সালে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষুধার মুখোমুখি হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির আগের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি। এই সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা নির্মূল করার বৈশ্বিক লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতির জন্য হুমকি দেয়। বুধবার জাতিসংঘ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্বে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, বহু বছর ধরে বিশ্বে অনাহারী বা ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির যে প্রবণতা ছিল তা গত বছর বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ অনেক দেশই মহামারি থেকে অর্থনৈতিকভাবে পুনরুদ্ধার হয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং খাদ্য ও জ্বালানির দামের উপর চাপ সেই সংখ্যাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২২ সালে প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ বেশি মানুষ ক্ষুধার্ত ছিল। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা দূর করার জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের যে লক্ষ্য তা পূরণ থেকে বিশ্ব ‘অনেক দূরে’। পরিস্থিতি এমন দিকে যাচ্ছে, যে ২০৩০ সালে ৬০ কোটি মানুষ অপুষ্টির শিকার হবে।

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরো কুলেন বলেন, ‘আমরা দেখছি যে ক্ষুধা একটি উচ্চ মাত্রায় স্থিতিশীল হচ্ছে, যা খারাপ খবর।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার প্রধান চালিকাশক্তিগুলি ছিল জীবিকার ক্ষেত্রে সংঘাত, জলবায়ুর চরমতা যা, কৃষি উৎপাদনকে হুমকির মুখে ফেলেছিল এবং মহামারির কারণে বেড়ে যাওয়া অর্থনৈতিক কষ্ট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্তে ডিএমপির কড়াকড়ি, না সরালে আইনি ব্যবস্থা

তীব্র খাদ্যসংকটে ক্ষুধার্ত সাড়ে ৭৩ কোটি মানুষ : জাতিসংঘ

আপডেট টাইম : ১২:৪৭:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩

বিশ্বব্যাপী প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ মানুষ ২০২২ সালে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষুধার মুখোমুখি হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারির আগের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি। এই সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা নির্মূল করার বৈশ্বিক লক্ষ্যের দিকে অগ্রগতির জন্য হুমকি দেয়। বুধবার জাতিসংঘ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্বে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, বহু বছর ধরে বিশ্বে অনাহারী বা ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির যে প্রবণতা ছিল তা গত বছর বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ অনেক দেশই মহামারি থেকে অর্থনৈতিকভাবে পুনরুদ্ধার হয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং খাদ্য ও জ্বালানির দামের উপর চাপ সেই সংখ্যাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২২ সালে প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ বেশি মানুষ ক্ষুধার্ত ছিল। এটি ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা দূর করার জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের যে লক্ষ্য তা পূরণ থেকে বিশ্ব ‘অনেক দূরে’। পরিস্থিতি এমন দিকে যাচ্ছে, যে ২০৩০ সালে ৬০ কোটি মানুষ অপুষ্টির শিকার হবে।

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো টোরো কুলেন বলেন, ‘আমরা দেখছি যে ক্ষুধা একটি উচ্চ মাত্রায় স্থিতিশীল হচ্ছে, যা খারাপ খবর।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার প্রধান চালিকাশক্তিগুলি ছিল জীবিকার ক্ষেত্রে সংঘাত, জলবায়ুর চরমতা যা, কৃষি উৎপাদনকে হুমকির মুখে ফেলেছিল এবং মহামারির কারণে বেড়ে যাওয়া অর্থনৈতিক কষ্ট।