,

09

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাগিদ স্পিকারের

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, সরকারের সুষম আর্থ-সামাজিক নীতির ফলে জনগণের মাথাপিছু আয়, জিডিপি এবং রেমিট্যান্স ও রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে। গত দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দারিদ্রের হার ৪০ শতাংশ থেকে ২২ শতাংশে কমিয়ে এনেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করা সম্ভব হবে।

আজ মঙ্গলবার ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সের অংশগ্রহণকারীদের জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) আয়োজিত একটি বিশেষ সেশনে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। উলে­খ্য, এনডিসি-২০১৯ কোর্সে ১৫টি দেশের ২৯ জন বিদেশীসহ ৮৪ জন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ও যুগ্মসচিব পদ মর্যাদার সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অংশ নিচ্ছেন।

স্পিকার বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের মৌলিক অধিকারগুলো সংরক্ষণ করে ও নিশ্চয়তা দেয় সংবিধান। বাংলাদেশের সংবিধানে চারটি মুলনীতি গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও জাতীয়তাবাদ সমুন্নত রাখা হয়েছে। যার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে বঙ্গবন্ধুর কাঙ্খিত সোনার বাংলার ঠিকানায়। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের বিস্ময়। জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব, দক্ষতা আর প্রজ্ঞার ফলে অর্থনৈতিক সুচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সংবিধান অন্যতম। উত্তরাধিকার কিংবা সমঝোতার সূত্রে নয়, বরং লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ সংবিধান। এ সংবিধানকে সমুন্নত রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। দীর্ঘ ২৩ বছরের লড়াই সংগ্রামের ফসল এই সংবিধান। অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর জাতিকে তিনি উপহার দিয়েছেন এ অনন্য সংবিধান।

স্পিকার বলেন, সংবিধানে মৌলিক নীতি সমূহ লিপিবদ্ধ থাকে। যা জনগণের বিশ্বাস ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখে। তিনি আরো বলেন, রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ-নির্বাহী বিভাগ, আইন সভা ও বিচার বিভাগ। এ তিনটি অঙ্গ সংবিধান অনুযায়ী জনগণের স্বার্থেই কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ’ উলে­খ করে তিনি বলেন, জনগণের কল্যাণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের কার্যাবলির মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর