,

Bangladesh’s Shakib Al Hasan, second left, celebrates with teammates the dismissal of Zimbabwe’s Craig Ervine during their first one day international cricket match in Dhaka, Bangladesh, Saturday, Nov. 7, 2015. (AP Photo/A.M. Ahad)
Bangladesh’s Shakib Al Hasan, second left, celebrates with teammates the dismissal of Zimbabwe’s Craig Ervine during their first one day international cricket match in Dhaka, Bangladesh, Saturday, Nov. 7, 2015. (AP Photo/A.M. Ahad)

ভারতের সঙ্গে ত্রি-দেশীয় সিরিজ খেলবে না বাংলাদেশ!

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতের মাটিতে নিউজিল্যান্ড ও ভারতের সঙ্গে প্রস্তাবিত ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিতে পারছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কেননা ওই মাসেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে টাইগাররা।

তবে সময় সূচিতে পরিবর্তন আসলে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ দল অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। এ প্রসঙ্গে আজ নাজমুল হাসান বলেন, ‘এটা একটি প্রপোজাল এসেছিল আমাদের কাছে। দূর্ভাগ্যবশত কোন ভাবেই আমরা সময় মেলাতে পারছি না। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২৮ অক্টোবর আমাদের দল ফিরবে। ওরা চাচ্ছে ২৮ তারিখের আগে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর বিপিএল, ওটা চেইঞ্জ করলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে সমস্যায় পড়তে হবে। সবকিছু মিলিয়ে সময়টা পারফেক্ট নয়। এখন পর্যন্ত ধরে নিচ্ছি ওটা সম্ভব নয়।যদিও না ওরা ডেট চেইঞ্জ না করে।’

সাম্প্রতি সময়ে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ নিয়ে পাপন বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন ভালো খেলছে। যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন তাহলে আমরা এভাবেই দেখছি। বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেবে। অনেকের অনেক ভক্ত থাকবে। অনেক খেলোয়াড়ের অনেক শুভাকাঙ্খী থাকে। যদি আমাকে বলেন, আমাদের সিনিয়র ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স অস্বীকার করার কোনো পথ নেই। এখানটায় দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোতে মেজর ব্রেক থ্রু কোথায় এসেছে। দ্বিপাক্ষিক সিরিজে পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা আগেও জিতেছি। এ তিনটায় আমাদের মেজর ব্রেক থ্রু। এগুলো আমাদের ব্রেক থ্রু।’

দলে তরুণ ক্রিকেটারদের প্রশংসা করে পাপন বলেন, ‘তামিম, সাকিব, মুশফিক ছাড়া ওখানে ম্যাচ জেতানোর জন্য নতুন খেলোয়াড়দের ভূমিকা ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এক চেটিয়ে খেলে গেছে সৌম্য সরকার। ওই তিন সিরিজে বিশেষ করে ভারতের বিপক্ষে মেজর জেতার কারণটিই ছিল মুস্তাফিজুর রহমান। একশতম টেস্টে মোসাদ্দেকের ভূমিকা ছিল অনেক। ও যদি ওই সময়টায় ওই ইনিংস না খেলত তাহলে আমরা জিততে পারতাম না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজ ওর অসা্ধারণ বোলিংয়ের জন্য আমরা জিতেছি। এই যে দেখেন নতুন খেলোয়াড়দের অবদান কিন্তু রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর