,

3

ভালো চলচ্চিত্রের বড়ই অভাব পূর্ণিমা

হাওর বার্তা ডেস্কঃ এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বর্তমানে চলচ্চিত্রে অনেকটাই অনিয়মিত। কালেভদ্রে তাকে দেখা যায় ছোটপর্দায়। এ মাধ্যমেও অনেক দিন ধরে তিনি অনুপস্থিত। পূর্ণিমা সর্বশেষ গত মার্চে শুটিং করেন। এরপর নিজেকে ঘরবন্দি করেন। এরই মধ্যে সব ধরনের শুটিং শুরু হলেও এখনো কোনো শুটিংয়ে অংশ নেননি তিনি।

তবে বিরতি ভেঙ্গে শুটিং ফিরছেন পূর্ণিমাও। আগামী মাসে ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবেন নায়িকা। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের উপন্যাস ‘গাঙচিল’ অবলম্বনে নির্মিতব্য এই ছবিতে পূর্ণিমার বিপরীতে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। আরও আছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ছবিটির পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল।
পূর্ণিমা বলেন, ‘করোনার কারণে দীর্ঘদিন সব ধরনের শুটিং থেকে দূরে ছিলাম। তবে আগামী মাসে ‘গাঙচিল’ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে অংশ নিচ্ছি। ছবিটির বেশ কিছু অংশের কাজ বাকি আছে। সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরই ছবিটি মুক্তি পাবে।’

কিন্তু চাহিদা থাকা সত্ত্বেও চলচ্চিত্রে অনিয়মিত কেন পূর্ণিমা? নায়িকার জবাব, বর্তমানে কয়টি চলচ্চিত্র নির্মাণ হচ্ছে? যেগুলো হচ্ছে সেগুলো কি বলার মতো? এখন যে সিনেমাগুলো নির্মিত হচ্ছে সেগুলোতে আমি সন্তুষ্ট নই। আমি অভিনয়ে অনিয়মিত হওয়ার পর যেসব সিনেমা নির্মিত হয়েছে, সেগুলো আমার কাছে বড় আকারে টেলিফিল্ম মনে হয়েছে। সেগুলো সিনেমা মনে হয় না। ভালো কাজ আমার চোখে পড়েনি। বর্তমানে ভালো চলচ্চিত্রের বড়ই অভাব।’

তাহলে এর থেকে উত্তরণের উপায় কী? পূর্ণিমা বলেন, ‘পরিচালক থেকে শুরু করে শিল্পী- সবাইকে ভালো মানের হতে হবে। তাহলেই পরিবর্তন সম্ভব। অভিনয় জানা শিল্পী নিতে হবে।’

পূর্ণিমার দৃষ্টিতে, বর্তমান চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় সংকট কেউই এখানে একত্রতা প্রকাশ করে না। শিল্পী সংকটও রয়েছে। অনেক গুণী শিল্পীই অভিনয় থেকে দূরে আছেন। আবার অনেকে মারা গেছেন। এখন যারা আছেন, তারা নিজেদের মতো ছবি বানিয়ে নিজেরা দেখছেন। ’

চলচ্চিত্রর নানানবিভাজনের কথা উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘এফডিসিতে যেগুলো হচ্ছে এগুলো থাকা ঠিক না। সবারই উচিত সব ধরনের বিভাজন ভুলে একত্র হয়ে চলচ্চিত্র নিয়ে ভাবা। চলচ্চিত্রের উন্নয়নের চিন্তা করা।’

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর