,

23

অস্ট্রেলিয়ায় বালিতে আটকে ৯০ তিমির মৃত্যু

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া উপকূলে বালুর চরে আটকা পড়েছিল ২৭০টি তিমি। এর এক-তৃতীয়াংশই বা কমপক্ষে ৯০টি তিমির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারীরা। এছাড়া আটকে পড়া বাকি তিমিদের মধ্যেও আরও তিমি মারা যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। খবর বিবিসির।

সোমবার তিমির ওই বিশাল দলটিকে উপকূলে আবিষ্কার করেন স্থানীয়রা। তিমিগুলো উপকূলে আটকা পড়েছিল। ফলে পানির অভাবে ছটফট করতে করতেই অনেক তিমির মৃত্যু হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে ২৫টি তিমিকে বাচাঁতে পেরেছিলেন উদ্ধারকারীরা। মৃত তিমিগুলোকে উদ্ধার করতে কয়েকদিন লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশালসংখ্যক এই তিমির দলটিকে উদ্ধারের আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছেন সমুদ্র বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশ কর্মীরা। তাসমানিয়া দ্বীপে দেখতে পাওয়া সামুদ্রিক ডলফিন প্রজাতির এই পাইলট তিমি সাধারণত লম্বায় সাত মিটার বা ২৩ ফুট হয় এবং এদের ওজন হয় প্রায় তিন টন।

কিভাবে ওই তিমিগুলো উপকূলে এসে আটকা পড়ল সে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। তিমিদের উপকূলে আসার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। কিন্তু একসঙ্গে এতো তিমি সচারাচর দেখা যায় না।

তাসমানিয়ার মেরিটাইম কনজারভেশন প্রোগ্রামের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ওই তিমিগুলো তিনটি দলে বিভক্ত ছিল। উদ্ধারকারীরা সোমবার রাতে সেখানে উপস্থিত হয়ে তিমিগুলোকে দেখতে পায়।

অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড উপকূলে প্রায়ই এভাবে দল বেঁধে তিমিদের আসতে দেখা যায়। গবেষকরা বলছেন, এরা দলে দলে চলাফেরা করে এবং এদের একজন দলনেতা থাকে।

তাদের মধ্যেই সামাজিক বন্ধন খুব দৃঢ় এবং তারা দলনেতার দেখানো পথেই চলে। এর আগে ২০১৮ সালে নিউজিল্যান্ড উপকূলে দুই শতাধিক পাইলট তিমির মৃত্যু হয়েছিল। তাসমানিয়ায় ২০০৯ সালে ২০০ তিমি আটকে পড়েছিল।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর