,

36

মধ্য দুপুরে শিশুদের আনন্দ উদযাপন আর বই কেনা দিয়ে জমে উঠেছে অমর একুশে বইমেলা শোকের আবহ

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শিশুদের আনন্দ উদযাপন আর বই কেনা দিয়ে জমে উঠেছে অমর একুশে বইমেলা। সকাল থেকে শিশুপ্রহর পর্যন্ত বেশ নিরুত্তাপ থাকলেও শিশুদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে মেলা প্রাঙ্গণ। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শিশুদের মাঝেও দেখা গেছে কালো রঙের পোশাকে শোকের আবহ।

শুক্রবার সরকারি ছুটির দিন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকাল এগারোটা থেকে শিশুপ্রহর শুরু হলেও বারোটার দিকে শিশু চত্বর জমতে থাকে। সিসিমপুরের হালুম টুকটুকিদের দেখা করার পর স্টলে স্টলে ভিড় জমায় শিশুরা।

তবে, অন্য বারের মতো প্রভাত ফেরী শেষে এবার সকালে মেলা জমেনি। বইপ্রেমীদের দেখা মিলেনি সকাল ১০পর্যন্তও। এমন কেন ছিল সে উত্তরটা প্রকাশক ও বিক্রয়কর্মীদের জানা নেই।

শিশুতোষ বইয়ের স্টল শিশু প্রকাশের বিক্রয়কর্মীরা জানান, ‘ধীরে ধীরে হয়তো আরো জমে উঠবে।’ একুশে ফেব্রুয়ারির সকাল এতটা নীরব থাকে না বলে জানালেন অধিকাংশ স্টলের বিক্রয়কর্মীরা।

শৈশব, ময়ূরপঙ্খী, ঝিঙ্গে ফুল, টোনাটুনি ইকড়ি মিকড়ি সহ অনেকগুলো প্রকাশনীর মেলাজুড়ে বিক্রি-বাট্টা কম নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।

বরাবরের মতো আজকে শুক্রবারের শিশুপ্রহরের সকালটা এত জমে না উঠার কারণ হিসেবে কর্মজীবী দম্পতি শায়লা ও সোহান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘মানুষের ব্যস্ততা অনেক বেশি বেড়ে গেছে। আগের মতো প্রভাতফেরিতে যাওয়ার উচ্ছ্বাসটা কমে গেছে। তাই হয়তো শিশুপ্রহরের শুরুটা সেভাবে জমে ওঠেনি।’

বর্ণমালার একটি ছবি আঁকা বই কিনেছে নিতু। নিতু বললো, ‘মা এই বইটি কিনে দিয়েছে। অনেক ছবি আছে। বর্ণগুলো রং করা যাবে।’

আজকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এটা জানে ছোট্ট রাহুল। ক্ষুদে শিক্ষার্থী রাহুল ঢাকাটাইমসকে বললো, ‘আমি সবসময়ই সুন্দর করে শুদ্ধ বাংলায় কথা বলি। বন্ধুরা অনেকেই বলে না। আমি তাদের সাথে কম মিশি। বাংলা তো আমাদের মায়ের ভাষা। এটা কি ঠিকঠাক উচ্চারণ করতে হয়।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর