,

5

রিফাত হত্যা : শেষ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বহুল আলোচিত বরগুনা রিফাত শরীফ হত্যা মামলার শেষ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে আদালত।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় এই রিপোর্ট লেখার সময় তার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

সকাল ১০টায় এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শেষ সাক্ষী বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবিরের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করে জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

সাক্ষ্যগ্রহণ উপলক্ষে সকালে বরগুনা কারাগারে থাকায় এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে থাকা নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও হাজির হয়েছেন আদালতে।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে মিন্নির জামিন বাতিল আবেদনের বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেনের দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে আজ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবিরকে আসামিপক্ষের ১০ জন আইনজীবী জেরা করবেন। এছাড়াও আজ এ মামলার সকল তথ্য-উপাত্ত যাচাই বাছাই করবেন আদালত। প্রজেক্টরের মাধ্যমে সকল ভিডিও ফুটেজও যাচাই করা হবে।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৪ কার্যদিবসে এ মামলার ৭৫ সাক্ষীর মধ্যে ৭৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করার পাশাপাশি শেষ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ চলমান রয়েছে। এছাড়া গোলাম সরোয়ার নামে এক সাক্ষী প্রবাসে থাকায় তার সাক্ষ্যগ্রহণ করতে পারেনি আদালত।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার বাদীপক্ষের মনোনীত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক কিসলু বলেন, ইতোমধ্যেই রিফাত হত্যা মামলার ৭৫ সাক্ষীর মধ্যে ৭৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

মঙ্গলবার এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শেষ সাক্ষী বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবিরের সাক্ষ্য গ্রহণ করছে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। তার সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হবে।

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। গত ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক; দু’ভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনও পলাতক। পাশাপাশি রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ছয়জন আসামি জামিনে রয়েছেন। বাকিরা কারাগারে।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার শিশু আদালত।

রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর