,

13

আওয়ামী লীগের সম্মেলন: সম্ভাবনা রয়েছে যারা

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ২০০৯ সালের সম্মেলনের পরে এবারই আওয়ামী লীগের সম্মেলনে অনেক পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার কেন্দ্রীয় কমিটিতে যোগ হবে পারে অনেক নতুন মুখ।

জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীর জন্য দক্ষ সংগঠক তৈরি করে যেতে চান এবারের সম্মেলনের মাধ্যমে। আর এই কারণে দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পাবেন সাবেক অনেক ছাত্রনেতা।

নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগের নেতা হয় সম্মেলনের মাধ্যমে। আর আওয়ামী লীগ সব সময়ই ছাত্রলীগের নেতাদের মূল্যায়ন করে থাকে। এবারের সম্মেলনের মাধ্যমেও অনেক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা দলের দায়িত্বে আসবেন যারা আগামীতে দল ও দেশকে নেতৃত্ব দেবেন। তবে প্রাধান্য দেয়া হবে দলের জন্য কাজ করেছেন এমন ত্যাগীদের।

দলের উচ্চ পর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, আট সাংগঠনিক সম্পাদকের মধ্যে ছয়জনই গত তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাই এবার এই পদগুলো পরিবর্তন আসাবে। আটজনের মধ্যে নতুন দুজন হয়তো দায়িত্বে বহাল থাকবেন। আর বাকি ছয়জনের মধ্যে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এবং খালিদ মাহমুদ চৌধুরী পদোন্নতি পাবেন। এ ছাড়া সম্পাদকমণ্ডলীর থেকেও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব বদল হতে পারে।

সম্পাদকমণ্ডলীর মধ্যে প্রচার ও  প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ,  বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, সংস্কৃতি সম্পাদক অসীম কুমার উকিল স্ব স্ব বিভাগওয়ারী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন।

এদের মধ্যে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ এবং বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন নিয়মিতই বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন।

নতুন মুখদের মধ্যে আলোচনায় আছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্না, সভাপতি বাহাদুর বেপারী, সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকন, সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, শেখ সোহেল রানা টিপু,  সাবেক সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন হেলাল, শাহাবউদ্দিন ফরাজী, সাইফুদ্দিন আহমেদ নাসির, এএইচএম মাসুদ দুলাল, আবদুল মতিন, প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া, আবদুল মতিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান তরুণ, সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, দপ্তর সম্পাদক কাজী নাছিম আল মাহমুদ রূপক, সাবেক সদস্য মাজহারুল ইসলাম মানিক। এছাড়াও আলোচনায় আছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনির, সীমান্ত তালুকদার, জহিরউদ্দিন মাহমুদ লিপটন, মমিন পাটোয়ারী, সাবেক সহ-সভাপতি জয়দেব নন্দী।

এ ছাড়াও আলোচনায় রয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম, নাহিম রাজ্জাক এবং কাজী নাবিল আহমেদের এবং শিক্ষক নেতা শাহজাহান আলম সাজুর নামও আলোচনায় আছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এবার যোগ হতে পারেন বেশ কয়েকজন নারী নেত্রী। অতীতে যারা দলের জন্য অবদান রেখেছেন তাদেরই বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

যে নারীনেত্রীরা আলোচনায় আছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, সংসদ সদস্য ও সৈয়দ নজরুল ইসলামের মেয়ে ডা. সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি, সংসদ সদস্য ওয়াসিকা আয়শা খান, মাহবুবা আরা বেগম গিনি, মেহের আফরোজ চুমকি, নুরজাহান বেগম মুক্তা, আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, কোহেলি কুদ্দুস মুক্তি, উমা চৌধুরী প্রমুখ।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ ঢাকা টাইমসকে বলেন, প্রতি সম্মেলনেই দলে কিছু পরিবর্তন আসে। নতুনদের স্থান করে দেয়া হয়। এবার একটু আলাদা প্রেক্ষাপট। কেমন পরিবর্তন আসবে সেটা নেত্রীই জানেন।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর